ইরানে হামলার খেসারত দিচ্ছে মার্কিনিরা: বিল ক্লিনটন
ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হামলার তীব্র সমালোচনা করেছেন দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন। তার মতে, যথাযথ পরিকল্পনা ছাড়াই পরিচালিত এই সামরিক অভিযানের সরাসরি প্রভাব পড়েছে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি বাজারে। এর ফলে বেড়েছে পেট্রলের দাম, যার বোঝা বহন করতে হচ্ছে সাধারণ মার্কিন নাগরিকদের।
ক্লিনটন বলেন, কোনও যুদ্ধ শুরু করার আগে কীভাবে সেই যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটানো হবে এবং প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি কীভাবে এড়ানো যাবে, সে বিষয়ে সুস্পষ্ট পরিকল্পনা থাকা জরুরি। যুদ্ধের পরিণতি সম্পর্কে যথাযথ প্রস্তুতি ছাড়া সামরিক অভিযান শুরু করা উচিত নয়।
ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পরিকল্পনা ও এর পরিণতি নিয়ে প্রশ্ন তুলে সাবেক এই মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, সামরিক অভিযানের প্রভাব শুধু যুদ্ধক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ থাকে না। এর অর্থনৈতিক অভিঘাতও দেশের সাধারণ মানুষের ওপর পড়ে। জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি তারই একটি সরাসরি উদাহরণ।
এদিকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনেরও সমালোচনা করেছেন ক্লিনটন। তিনি প্রশাসনটির বিরুদ্ধে দুর্নীতি এবং লোকদেখানো প্রকল্প বাস্তবায়নের অভিযোগ তুলেছেন। তার বক্তব্যে ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকাণ্ড ও অগ্রাধিকার নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ পেয়েছে।
ইরানকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের প্রভাব আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারেও পড়েছে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের কারণে তেলের সরবরাহ ও পরিবহন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় জ্বালানির দাম বাড়ছে। এর প্রভাব পড়ছে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের অর্থনীতিতে।
ক্লিনটনের বক্তব্যে সামরিক অভিযানের কৌশলগত পরিকল্পনার পাশাপাশি এর অর্থনৈতিক ও মানবিক পরিণতির বিষয়টিও সামনে এসেছে। তার মতে, যুদ্ধ শুরুর সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে সম্ভাব্য পরিণতি এবং তা থেকে বেরিয়ে আসার পথ বিবেচনায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সূত্র: ডন নিউজ


















