হাড় মজবুত রাখতে খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
হাড়ের গঠন ও শক্তি বজায় রাখতে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি ও পর্যাপ্ত প্রোটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব পুষ্টির ঘাটতি হলে হাড় দুর্বল হয়ে যেতে পারে। বাড়তে পারে অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ক্ষয়জনিত রোগের ঝুঁকি।
অস্টিওপোরোসিসে হাড়ের ঘনত্ব ও শক্তি কমে যায়। ফলে সামান্য আঘাত কিংবা পড়ে গেলেও হাড় ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। বিশেষ করে বয়স্ক ব্যক্তি ও মেনোপজের পর নারীদের এ রোগের ঝুঁকি বেশি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, হাড়ের সুস্থতা বজায় রাখতে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় তিন ধরনের পুষ্টির পর্যাপ্ত উপস্থিতি নিশ্চিত করা জরুরি।
১. ক্যালসিয়াম
হাড়ের গঠন ও দৃঢ়তা বজায় রাখতে ক্যালসিয়াম অপরিহার্য। হাড়ের প্রধান খনিজ উপাদানগুলোর একটি এটি। শরীরে ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণে নিয়মিত দুধ, দই, কাঁটাসহ ছোট মাছ, তিল ও সবুজ শাকসবজি খাওয়া যেতে পারে।
২. ভিটামিন ডি
খাবার থেকে পাওয়া ক্যালসিয়াম শরীরে শোষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে ভিটামিন ডি। এ ভিটামিনের অভাবে পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম গ্রহণ করলেও শরীর তা ঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারে না। সূর্যের আলো ত্বকে ভিটামিন ডি তৈরিতে সহায়তা করে। এ ছাড়া তৈলাক্ত মাছ ও ডিমের কুসুম থেকেও ভিটামিন ডি পাওয়া যায়। ঘাটতি থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করা যেতে পারে।
৩. পর্যাপ্ত প্রোটিন
হাড়ের গঠন ও পেশির শক্তি বজায় রাখতে প্রোটিন প্রয়োজন। পর্যাপ্ত প্রোটিন হাড়ের কাঠামো ও কোষের সুস্থতা বজায় রাখতে সহায়তা করে। এ জন্য খাদ্যতালিকায় মাছ, ডিম, দুধ, মুরগির মাংস, ডাল ও ছোলা রাখা উচিত। পাশাপাশি বাদাম ও তিল থেকেও প্রোটিন ও ম্যাগনেশিয়াম পাওয়া যায়।
হাড়ের সুস্থতা বজায় রাখতে শুধু একটি পুষ্টি উপাদানের ওপর নির্ভর করলে চলবে না। সুষম খাবার, নিয়মিত শরীরচর্চা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াও জরুরি।



















