০২:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

কলারোয়ায় বালু উত্তোলনের হিড়িক, বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে পরিবেশে স্থানীয়দের অভিযোগ

অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলন করা হলে নদীভাঙন, কৃষিজমির ক্ষতি এবং সড়ক ও আশপাশের স্থাপনার ওপর বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে। এ

কলারোয়া প্রতিনিধি:- সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলায় বিভিন্ন নদী, খাল, বিল, ঘের ও পুকুর থেকে বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বালু উত্তোলন বেড়ে যাওয়ায় পরিবেশ, কৃষিজমি ও স্থানীয় সড়কের ওপর এর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তবে এসব স্থানে বালু উত্তোলনের বৈধতা ও অনুমোদনের বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে স্থানীয়দের মধ্যে।

অভিযোগ রয়েছে, উপজেলার ধানদিয়া চৌরাস্তা-সংলগ্ন কপোতাক্ষ নদ, কেড়াগাছি ইউনিয়নের কাকডাঙ্গা বিজিবি ক্যাম্পের সামনের একটি ঘের, দেয়াড়া বিল এবং কুশোডাঙ্গা এলাকার নদীসহ বিভিন্ন স্থানে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। এ ছাড়া বিভিন্ন পুকুর, খাল ও নদী থেকে বালু তুলে সড়ক নির্মাণ ও বিভিন্ন ব্যবসায়িক কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বিভিন্ন স্থান থেকে বালু উত্তোলনের ফলে সংশ্লিষ্ট এলাকার পরিবেশ ও প্রাকৃতিক ভারসাম্য ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলন করা হলে নদীভাঙন, কৃষিজমির ক্ষতি এবং সড়ক ও আশপাশের স্থাপনার ওপর বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে। এ অবস্থায় কোথায়, কী পরিমাণ এবং কোন কর্তৃপক্ষের অনুমতিতে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে, তা খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, বালু উত্তোলনের অনুমতি দেওয়া আছে। স্থানীয় পর্যায়ে উত্তোলন করে ব্যবহার করতে পারে।

তবে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় যেসব স্থান থেকে বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে, সেসব স্থানের জন্য পৃথকভাবে বৈধ অনুমতি রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন, উত্তোলনের পরিমাণ এবং নির্ধারিত শর্ত যথাযথভাবে মানা হচ্ছে কি না তা যাচাইয়ের দাবি উঠেছে।

এলাকাবাসীর প্রত্যাশা সংশ্লিষ্ট প্রশাসন সরেজমিনে তদন্ত করে বালু উত্তোলনের প্রকৃত চিত্র তুলে ধরবে। অনুমোদনহীন বা নিয়মবহির্ভূতভাবে বালু উত্তোলন হয়ে থাকলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে—এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয়দের।

Please Share This Post in Your Social Media

আপডেট: ০৬:৪৭:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
২

কলারোয়ায় বালু উত্তোলনের হিড়িক, বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে পরিবেশে স্থানীয়দের অভিযোগ

আপডেট: ০৬:৪৭:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলন করা হলে নদীভাঙন, কৃষিজমির ক্ষতি এবং সড়ক ও আশপাশের স্থাপনার ওপর বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে। এ

কলারোয়া প্রতিনিধি:- সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলায় বিভিন্ন নদী, খাল, বিল, ঘের ও পুকুর থেকে বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বালু উত্তোলন বেড়ে যাওয়ায় পরিবেশ, কৃষিজমি ও স্থানীয় সড়কের ওপর এর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তবে এসব স্থানে বালু উত্তোলনের বৈধতা ও অনুমোদনের বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে স্থানীয়দের মধ্যে।

অভিযোগ রয়েছে, উপজেলার ধানদিয়া চৌরাস্তা-সংলগ্ন কপোতাক্ষ নদ, কেড়াগাছি ইউনিয়নের কাকডাঙ্গা বিজিবি ক্যাম্পের সামনের একটি ঘের, দেয়াড়া বিল এবং কুশোডাঙ্গা এলাকার নদীসহ বিভিন্ন স্থানে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। এ ছাড়া বিভিন্ন পুকুর, খাল ও নদী থেকে বালু তুলে সড়ক নির্মাণ ও বিভিন্ন ব্যবসায়িক কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বিভিন্ন স্থান থেকে বালু উত্তোলনের ফলে সংশ্লিষ্ট এলাকার পরিবেশ ও প্রাকৃতিক ভারসাম্য ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলন করা হলে নদীভাঙন, কৃষিজমির ক্ষতি এবং সড়ক ও আশপাশের স্থাপনার ওপর বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে। এ অবস্থায় কোথায়, কী পরিমাণ এবং কোন কর্তৃপক্ষের অনুমতিতে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে, তা খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, বালু উত্তোলনের অনুমতি দেওয়া আছে। স্থানীয় পর্যায়ে উত্তোলন করে ব্যবহার করতে পারে।

তবে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় যেসব স্থান থেকে বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে, সেসব স্থানের জন্য পৃথকভাবে বৈধ অনুমতি রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন, উত্তোলনের পরিমাণ এবং নির্ধারিত শর্ত যথাযথভাবে মানা হচ্ছে কি না তা যাচাইয়ের দাবি উঠেছে।

এলাকাবাসীর প্রত্যাশা সংশ্লিষ্ট প্রশাসন সরেজমিনে তদন্ত করে বালু উত্তোলনের প্রকৃত চিত্র তুলে ধরবে। অনুমোদনহীন বা নিয়মবহির্ভূতভাবে বালু উত্তোলন হয়ে থাকলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে—এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয়দের।