০৫:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

টঙ্গীতে ওষুধ কারখানায় ভয়াবহ আগুন, নেভাতে ফায়ার সার্ভিসের ২০ ইউনিট

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

গাজীপুরের টঙ্গীর চেরাগ আলী এলাকায় ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ২০টি ইউনিট কাজ করছে। তাদের সহায়তায় ঘটনাস্থলে যোগ দিয়েছেন সেনাবাহিনীর সদস্যরাও।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে কারখানাটিতে আগুন লাগে। ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, কারখানার ইউনিট-২ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে বিভিন্ন অংশে। আগুনের শিখার সঙ্গে বাড়তে থাকে ধোঁয়ার পরিমাণ।

ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে টঙ্গী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের কর্মীরা ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা হন। তাঁরা সকাল ১০টা ২৫ মিনিটে সেখানে পৌঁছান। পরে আগুন নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন স্টেশন থেকে একে একে আরও ইউনিট পাঠানো হয়।

ফায়ার সার্ভিসের ২০টি ইউনিটের মধ্যে টঙ্গী স্টেশন থেকে তিনটি, উত্তরা থেকে তিনটি, গাজীপুর চৌরাস্তা মডার্ন থেকে চারটি, কুর্মিটোলা থেকে চারটি, রাজেন্দ্রপুর থেকে দুটি এবং পূর্বাচল থেকে তিনটি ইউনিট কাজ করছে। এ ছাড়া মিরপুর থেকে একটি হ্যাজম্যাট টেন্ডার অগ্নিনির্বাপণ কার্যক্রমে যুক্ত হয়েছে।

এদিকে, আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসকে সহযোগিতা করতে সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন। বুধবার দুপুরে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

কারখানার ভেতরে থাকা ওষুধ, উৎপাদনসংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম ও অন্যান্য মালামাল আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে জানা গেছে। তবে অগ্নিকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট কারণ এবং এতে কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা এখনো জানা যায়নি।খনো জানা যায়নি।

Please Share This Post in Your Social Media

আপডেট: ০৩:২৫:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
১৫

টঙ্গীতে ওষুধ কারখানায় ভয়াবহ আগুন, নেভাতে ফায়ার সার্ভিসের ২০ ইউনিট

আপডেট: ০৩:২৫:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

গাজীপুরের টঙ্গীর চেরাগ আলী এলাকায় ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ২০টি ইউনিট কাজ করছে। তাদের সহায়তায় ঘটনাস্থলে যোগ দিয়েছেন সেনাবাহিনীর সদস্যরাও।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে কারখানাটিতে আগুন লাগে। ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, কারখানার ইউনিট-২ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে বিভিন্ন অংশে। আগুনের শিখার সঙ্গে বাড়তে থাকে ধোঁয়ার পরিমাণ।

ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে টঙ্গী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের কর্মীরা ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা হন। তাঁরা সকাল ১০টা ২৫ মিনিটে সেখানে পৌঁছান। পরে আগুন নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন স্টেশন থেকে একে একে আরও ইউনিট পাঠানো হয়।

ফায়ার সার্ভিসের ২০টি ইউনিটের মধ্যে টঙ্গী স্টেশন থেকে তিনটি, উত্তরা থেকে তিনটি, গাজীপুর চৌরাস্তা মডার্ন থেকে চারটি, কুর্মিটোলা থেকে চারটি, রাজেন্দ্রপুর থেকে দুটি এবং পূর্বাচল থেকে তিনটি ইউনিট কাজ করছে। এ ছাড়া মিরপুর থেকে একটি হ্যাজম্যাট টেন্ডার অগ্নিনির্বাপণ কার্যক্রমে যুক্ত হয়েছে।

এদিকে, আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসকে সহযোগিতা করতে সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন। বুধবার দুপুরে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

কারখানার ভেতরে থাকা ওষুধ, উৎপাদনসংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম ও অন্যান্য মালামাল আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে জানা গেছে। তবে অগ্নিকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট কারণ এবং এতে কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা এখনো জানা যায়নি।খনো জানা যায়নি।