০৬:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬

Comment on সীমান্তে ড্রেন নির্মাণের চেষ্টা, বিজিবির বাধায় সরে গেল বিএসএফ by Ada4678

ভারতের ত্রিপুরার বিলোনীয়া শহরের জমে থাকা বৃষ্টির পানি সরানোর জন্য ফেনীর সীমান্তবর্তী বল্লামুখা এলাকার নোম্যান্সল্যান্ডে ড্রেন নির্মাণের চেষ্টা চালিয়েছে বিএসএফ সদস্যরা। তবে বিজিবির বাধার মুখে সরে যেতে বাধ্য হয়েছে তারা। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে সীমান্তের ল্যাম্পপোস্টের আলো বন্ধ করে দিয়ে তারা এমন চেষ্টা চালায়। পরবর্তীতে বিজিবি ও স্থানীয়দের বাধার মুখে তারা সরে যায়।

শুক্রবার (৩০ মে) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ফেনী-৪ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন।

পরশুরামের সীমান্তবর্তী স্থানীয়রা জানান, ওপারে বিলোনীয়া শহর ও পুলিশ স্টেশনসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রয়েছে। টানা বৃষ্টির কারণে তাদের এলাকায় জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। সেজন্য তারা পানি বের করার উপায় খুঁজছে। বাংলাদেশের ভাটির দিকে পানি ছেড়ে দিতে পারলে তাদের জলাবদ্ধতা দ্রুত নিরসন হবে, তাই তারা এমন চেষ্টা চালিয়েছে।

এ দিকে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন কর্মীরা বলছেন, সীমান্তে লাইট বন্ধ করে দিয়ে বিএসএফের আনাগোনা, স্কেবেটর রাখা এসব কিছু সন্দেহ তৈরি করছে। বল্লামুখা বাঁধে যাতে বিএসএফ হাত দিতে না পারে সেদিকে সবাইকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। আমরাও চাই ভারতীয়রা জলাবদ্ধতায় নিমজ্জিত না থাকুক। ভাটির দিকে পানি দিবে, তবে সেটি আমাদের ক্ষতি করে নয়।

ফেনীর জেলা প্রশাসক মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, যেকোনো ধরনের পরিস্থিতি মোকাবেলায় আমরা সতর্ক রয়েছি। তবে বাসিন্দাদের অনুরোধ, ভয় বা আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন থাকতে হবে।

এ বিষয়ে লে. কর্নেল মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন বলেন, বিএসএফ বৃষ্টির পানি সরানোর জন্য ড্রেন নির্মাণ করছিল। কিন্তু কাজের কিছু অংশ নোম্যান্সল্যান্ডের (শূন্যরেখা) ২০ গজ এলাকার মধ্যে ঢুকে যাওয়ায় আমরা বাধা দিয়েছি। কারণ শূন্যরেখার ১৫০ গজের মধ্যে কাজ করতে হলে দুদেশের সিদ্ধান্ত মোতাবেক কাজ করতে হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

আপডেট: ০৪:২০:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ মে ২০২৫
৬

Comment on সীমান্তে ড্রেন নির্মাণের চেষ্টা, বিজিবির বাধায় সরে গেল বিএসএফ by Ada4678

আপডেট: ০৪:২০:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ মে ২০২৫

ভারতের ত্রিপুরার বিলোনীয়া শহরের জমে থাকা বৃষ্টির পানি সরানোর জন্য ফেনীর সীমান্তবর্তী বল্লামুখা এলাকার নোম্যান্সল্যান্ডে ড্রেন নির্মাণের চেষ্টা চালিয়েছে বিএসএফ সদস্যরা। তবে বিজিবির বাধার মুখে সরে যেতে বাধ্য হয়েছে তারা। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে সীমান্তের ল্যাম্পপোস্টের আলো বন্ধ করে দিয়ে তারা এমন চেষ্টা চালায়। পরবর্তীতে বিজিবি ও স্থানীয়দের বাধার মুখে তারা সরে যায়।

শুক্রবার (৩০ মে) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ফেনী-৪ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন।

পরশুরামের সীমান্তবর্তী স্থানীয়রা জানান, ওপারে বিলোনীয়া শহর ও পুলিশ স্টেশনসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রয়েছে। টানা বৃষ্টির কারণে তাদের এলাকায় জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। সেজন্য তারা পানি বের করার উপায় খুঁজছে। বাংলাদেশের ভাটির দিকে পানি ছেড়ে দিতে পারলে তাদের জলাবদ্ধতা দ্রুত নিরসন হবে, তাই তারা এমন চেষ্টা চালিয়েছে।

এ দিকে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন কর্মীরা বলছেন, সীমান্তে লাইট বন্ধ করে দিয়ে বিএসএফের আনাগোনা, স্কেবেটর রাখা এসব কিছু সন্দেহ তৈরি করছে। বল্লামুখা বাঁধে যাতে বিএসএফ হাত দিতে না পারে সেদিকে সবাইকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। আমরাও চাই ভারতীয়রা জলাবদ্ধতায় নিমজ্জিত না থাকুক। ভাটির দিকে পানি দিবে, তবে সেটি আমাদের ক্ষতি করে নয়।

ফেনীর জেলা প্রশাসক মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, যেকোনো ধরনের পরিস্থিতি মোকাবেলায় আমরা সতর্ক রয়েছি। তবে বাসিন্দাদের অনুরোধ, ভয় বা আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন থাকতে হবে।

এ বিষয়ে লে. কর্নেল মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন বলেন, বিএসএফ বৃষ্টির পানি সরানোর জন্য ড্রেন নির্মাণ করছিল। কিন্তু কাজের কিছু অংশ নোম্যান্সল্যান্ডের (শূন্যরেখা) ২০ গজ এলাকার মধ্যে ঢুকে যাওয়ায় আমরা বাধা দিয়েছি। কারণ শূন্যরেখার ১৫০ গজের মধ্যে কাজ করতে হলে দুদেশের সিদ্ধান্ত মোতাবেক কাজ করতে হবে।