১১:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিমানবন্দরে ৩৬ ভরি স্বর্ণ, মোবাইল-ল্যাপটপ জব্দ, আটক ৩

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রায় ৩৯৭ দশমিক ৭ গ্রাম (প্রায় ৩৬ ভরি) স্বর্ণালংকার, ৮টি মোবাইল ফোন ও তিনটি ল্যাপটপসহ তিনজনকে আটক করেছে এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাত পৌনে ৩টার দিকে বিমানবন্দরের বহুতল কার পার্কিংয়ের নিচতলা থেকে তাদের আটক করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন- রাবিয়া বেগম (৪৮), আকাশ আহমেদ (৩৫) ও মো. জলিল (৪৬)।

এয়ারপোর্ট এপিবিএন জানায়, ওই তিনজনকে বিমানবন্দরের বহুতল কার পার্কিংয়ের নিচতলায় সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা সুকৌশলে পালানোর চেষ্টা করলে এপিবিএনের সদস্যরা তাদের আটক করেন।

পরে তাদের দেহ তল্লাশি করে মোট ৩৯৭ দশমিক ৭ গ্রাম স্বর্ণালংকার, আটটি মোবাইল ফোন ও তিনটি ল্যাপটপ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা স্বর্ণালংকারগুলো ২২ ক্যারেটের বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এপিবিএনের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, বিভিন্ন দেশ থেকে অজ্ঞাতনামা যাত্রীদের মাধ্যমে স্বর্ণালংকার, মোবাইল ফোন ও ল্যাপটপগুলো বাংলাদেশে আনা হয়েছে। এসব পণ্য চোরাচালানের উদ্দেশ্যে আনা হয়েছিল বলেও তারা জানান। আটক ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে বিমানবন্দরকেন্দ্রিক স্বর্ণ চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত বলে দাবি পুলিশের।

এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার বিমানবন্দর থানায় একটি নিয়মিত মামলা করা হয়েছে। পুলিশ বলছে, অজ্ঞাতনামা যাত্রীদের সহযোগিতায় পরস্পর যোগসাজশে অবৈধ পন্থায় চোরাচালানের উদ্দেশ্যে সরকারকে রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে স্বর্ণ নিজেদের হেফাজতে রাখার অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪-এর ২৫-বি(১)(বি)/২৫-ডি ধারায় মামলা করা হয়েছে।

এ বিষয়ে এয়ারপোর্ট এপিবিএনের পুলিশ সুপার (অপারেশন্স) মোহাম্মদ নাজির আহমেদ খান বলেন, বিমানবন্দর এলাকায় যেকোনো অপরাধ দমন ও চোরাচালান প্রতিরোধে এয়ারপোর্ট এপিবিএন সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। মাদক ও স্বর্ণ চোরাচালানের অপতৎপরতা রোধে পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করা হচ্ছে। বিমানবন্দর ব্যবহার করে যেকোনো ধরনের চোরাচালান রোধে তাদের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

Please Share This Post in Your Social Media

আপডেট: ১০:২০:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
০

বিমানবন্দরে ৩৬ ভরি স্বর্ণ, মোবাইল-ল্যাপটপ জব্দ, আটক ৩

আপডেট: ১০:২০:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রায় ৩৯৭ দশমিক ৭ গ্রাম (প্রায় ৩৬ ভরি) স্বর্ণালংকার, ৮টি মোবাইল ফোন ও তিনটি ল্যাপটপসহ তিনজনকে আটক করেছে এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাত পৌনে ৩টার দিকে বিমানবন্দরের বহুতল কার পার্কিংয়ের নিচতলা থেকে তাদের আটক করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন- রাবিয়া বেগম (৪৮), আকাশ আহমেদ (৩৫) ও মো. জলিল (৪৬)।

এয়ারপোর্ট এপিবিএন জানায়, ওই তিনজনকে বিমানবন্দরের বহুতল কার পার্কিংয়ের নিচতলায় সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা সুকৌশলে পালানোর চেষ্টা করলে এপিবিএনের সদস্যরা তাদের আটক করেন।

পরে তাদের দেহ তল্লাশি করে মোট ৩৯৭ দশমিক ৭ গ্রাম স্বর্ণালংকার, আটটি মোবাইল ফোন ও তিনটি ল্যাপটপ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা স্বর্ণালংকারগুলো ২২ ক্যারেটের বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এপিবিএনের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, বিভিন্ন দেশ থেকে অজ্ঞাতনামা যাত্রীদের মাধ্যমে স্বর্ণালংকার, মোবাইল ফোন ও ল্যাপটপগুলো বাংলাদেশে আনা হয়েছে। এসব পণ্য চোরাচালানের উদ্দেশ্যে আনা হয়েছিল বলেও তারা জানান। আটক ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে বিমানবন্দরকেন্দ্রিক স্বর্ণ চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত বলে দাবি পুলিশের।

এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার বিমানবন্দর থানায় একটি নিয়মিত মামলা করা হয়েছে। পুলিশ বলছে, অজ্ঞাতনামা যাত্রীদের সহযোগিতায় পরস্পর যোগসাজশে অবৈধ পন্থায় চোরাচালানের উদ্দেশ্যে সরকারকে রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে স্বর্ণ নিজেদের হেফাজতে রাখার অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪-এর ২৫-বি(১)(বি)/২৫-ডি ধারায় মামলা করা হয়েছে।

এ বিষয়ে এয়ারপোর্ট এপিবিএনের পুলিশ সুপার (অপারেশন্স) মোহাম্মদ নাজির আহমেদ খান বলেন, বিমানবন্দর এলাকায় যেকোনো অপরাধ দমন ও চোরাচালান প্রতিরোধে এয়ারপোর্ট এপিবিএন সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। মাদক ও স্বর্ণ চোরাচালানের অপতৎপরতা রোধে পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করা হচ্ছে। বিমানবন্দর ব্যবহার করে যেকোনো ধরনের চোরাচালান রোধে তাদের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।