০৫:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬

সাবেক মন্ত্রী শাহজাহান খান ও তার ছেলে দুদকের মামলায় গ্রেপ্তার

ক্ষমতার অপব্যবহার করে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় সাবেক নৌপরিবহন মন্ত্রী শাহজাহান খান ও তার ছেলে মাদারীপুর সদর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান আসিবুর রহমানকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছেন আদালত।

দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার (৫ অক্টোবর) ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. শাহজাহান কবীর গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন। শুনানির আগে তাদের কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। গ্রেপ্তার দেখানো শেষে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, আসামি মো. আসিবুর রহমান আয়করদাতা হওয়া সত্ত্বেও তার নামে মোট ১১ কোটি ৭৯ লাখ ৫ হাজার ২৪৮ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের সন্ধান পাওয়া যায়। তবে অনুসন্ধানে তার গ্রহণযোগ্য আয়ের উৎস পাওয়া গেছে ১ কোটি ৮৯ লাখ ৯৯ হাজার ১৮৩ টাকার। এর ফলে তার নামে ৯ কোটি ৮৯ লাখ ৫ হাজার ৬৮৫ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত ও অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ অর্জনের প্রমাণ পাওয়া গেছে।

মামলার অভিযোগ থেকে আরও জানা যায়, সাবেক নৌপরিবহন মন্ত্রী শাহজাহান খান সংসদ সদস্য ও মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে অসদুপায়ে অর্জিত অর্থ দিয়ে তার ছেলে আসিবুর রহমানের নামে এসব স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জনে সহায়তা করেছেন। এ ঘটনায় ২০২৫ সালের ২ ফেব্রুয়ারি দুদকের উপপরিচালক কমলেশ মন্ডল বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকা থেকে শাহজাহান খানকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারে আটক রয়েছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

আপডেট: ০২:৫২:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬
১

সাবেক মন্ত্রী শাহজাহান খান ও তার ছেলে দুদকের মামলায় গ্রেপ্তার

আপডেট: ০২:৫২:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬

ক্ষমতার অপব্যবহার করে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় সাবেক নৌপরিবহন মন্ত্রী শাহজাহান খান ও তার ছেলে মাদারীপুর সদর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান আসিবুর রহমানকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছেন আদালত।

দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার (৫ অক্টোবর) ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. শাহজাহান কবীর গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন। শুনানির আগে তাদের কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। গ্রেপ্তার দেখানো শেষে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, আসামি মো. আসিবুর রহমান আয়করদাতা হওয়া সত্ত্বেও তার নামে মোট ১১ কোটি ৭৯ লাখ ৫ হাজার ২৪৮ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের সন্ধান পাওয়া যায়। তবে অনুসন্ধানে তার গ্রহণযোগ্য আয়ের উৎস পাওয়া গেছে ১ কোটি ৮৯ লাখ ৯৯ হাজার ১৮৩ টাকার। এর ফলে তার নামে ৯ কোটি ৮৯ লাখ ৫ হাজার ৬৮৫ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত ও অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ অর্জনের প্রমাণ পাওয়া গেছে।

মামলার অভিযোগ থেকে আরও জানা যায়, সাবেক নৌপরিবহন মন্ত্রী শাহজাহান খান সংসদ সদস্য ও মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে অসদুপায়ে অর্জিত অর্থ দিয়ে তার ছেলে আসিবুর রহমানের নামে এসব স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জনে সহায়তা করেছেন। এ ঘটনায় ২০২৫ সালের ২ ফেব্রুয়ারি দুদকের উপপরিচালক কমলেশ মন্ডল বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকা থেকে শাহজাহান খানকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারে আটক রয়েছেন।