০৫:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬

আজ বিশ্ব শিক্ষক দিবস

আজ বিশ্ব শিক্ষক দিবস। ‘মানুষ গড়ার কারিগর’ শিক্ষকদের সম্মানে ১৯৯৪ সাল থেকে বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে দিবসটি। আধুনিক ও উন্নত বাংলাদেশ গঠনে শিক্ষার গুণগত মানে এসেছে নানা পরিবর্তন। তবে পরিবর্তনের এই সময়ে এসেও যথাযথ মূল্যায়ন পাচ্ছেন না শিক্ষকরা। নানা সীমাবদ্ধতা ও প্রাপ্তির স্বল্পতা সত্ত্বেও পরবর্তী প্রজন্মকে গড়ে তোলার কাজ করে যাচ্ছেন তারা।

নেত্রকোনার পঞ্চাননপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা নায়লা সারাফ। ধ্যান-জ্ঞানজুড়ে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পাঠদান। শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি অভিভাবকদের কাছেও ভীষণ প্রিয় তিনি।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ও ভিকারুননিসা নূন কলেজের মেধাবী শিক্ষার্থী নায়লা সারাফ পড়াশোনা শেষে দায়িত্ব পালন করেছেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তা হিসেবে। তবে সব ছেড়ে একসময়কার এই প্রকৌশলী এখন পড়াচ্ছেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। আর শিক্ষকতাতেই খুঁজে পেয়েছেন পরম প্রশান্তি।

সব শিক্ষকের গল্প হয়তো নায়লা সারাফের মতো নয়। তবে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে যাওয়া শিক্ষকদের তৃপ্তি এক জায়গাতেই—মানুষ গড়ার কাজে। শ্রেণিকক্ষের গণ্ডি পেরিয়ে অনেকের হৃদয়েই প্রিয় শিক্ষক হিসেবে জায়গা করে নেন তারা।

তবে মহান এই পেশায় নিয়োজিত শিক্ষকদের অনেকেরই দৈনন্দিন জীবন কাটে আর্থিক টানাপোড়েনের মধ্যে। বিশেষ করে বেসরকারি ও প্রান্তিক পর্যায়ের শিক্ষকদের বেতন-বৈষম্য এবং সুযোগ-সুবিধার সীমাবদ্ধতা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে রয়েছে।

কাঙ্ক্ষিত জাতি গঠন ও শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করতে শিক্ষকদের যথাযথ মূল্যায়নের পাশাপাশি সামাজিক মর্যাদা ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।

Please Share This Post in Your Social Media

আপডেট: ১০:৫৭:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬
২

আজ বিশ্ব শিক্ষক দিবস

আপডেট: ১০:৫৭:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬

আজ বিশ্ব শিক্ষক দিবস। ‘মানুষ গড়ার কারিগর’ শিক্ষকদের সম্মানে ১৯৯৪ সাল থেকে বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে দিবসটি। আধুনিক ও উন্নত বাংলাদেশ গঠনে শিক্ষার গুণগত মানে এসেছে নানা পরিবর্তন। তবে পরিবর্তনের এই সময়ে এসেও যথাযথ মূল্যায়ন পাচ্ছেন না শিক্ষকরা। নানা সীমাবদ্ধতা ও প্রাপ্তির স্বল্পতা সত্ত্বেও পরবর্তী প্রজন্মকে গড়ে তোলার কাজ করে যাচ্ছেন তারা।

নেত্রকোনার পঞ্চাননপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা নায়লা সারাফ। ধ্যান-জ্ঞানজুড়ে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পাঠদান। শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি অভিভাবকদের কাছেও ভীষণ প্রিয় তিনি।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ও ভিকারুননিসা নূন কলেজের মেধাবী শিক্ষার্থী নায়লা সারাফ পড়াশোনা শেষে দায়িত্ব পালন করেছেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তা হিসেবে। তবে সব ছেড়ে একসময়কার এই প্রকৌশলী এখন পড়াচ্ছেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। আর শিক্ষকতাতেই খুঁজে পেয়েছেন পরম প্রশান্তি।

সব শিক্ষকের গল্প হয়তো নায়লা সারাফের মতো নয়। তবে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে যাওয়া শিক্ষকদের তৃপ্তি এক জায়গাতেই—মানুষ গড়ার কাজে। শ্রেণিকক্ষের গণ্ডি পেরিয়ে অনেকের হৃদয়েই প্রিয় শিক্ষক হিসেবে জায়গা করে নেন তারা।

তবে মহান এই পেশায় নিয়োজিত শিক্ষকদের অনেকেরই দৈনন্দিন জীবন কাটে আর্থিক টানাপোড়েনের মধ্যে। বিশেষ করে বেসরকারি ও প্রান্তিক পর্যায়ের শিক্ষকদের বেতন-বৈষম্য এবং সুযোগ-সুবিধার সীমাবদ্ধতা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে রয়েছে।

কাঙ্ক্ষিত জাতি গঠন ও শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করতে শিক্ষকদের যথাযথ মূল্যায়নের পাশাপাশি সামাজিক মর্যাদা ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।