০৬:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক ব্রি-১০৩ রোপা আমন ধান চাষে লাভের হিসাবে খুশি কৃষক

রেজাউল করিম মানিক, সোনাতলা প্রতিনিধি:- বগুড়ার সোনাতলায় ব্রি-১০৩ জাতের রোপা আমন ধান কর্তন করা হয়েছে। আগাম ফলন, উন্নত মানের ধান ও খড় বিক্রি করে অধিক লাভের আশায় কৃষকের মুখে ফুটেছে হাসি। কৃষি বিভাগের সহযোগিতায় পরীক্ষামূলক ভাবে চাষ করা এ জাতের ধান আগাম ঘরে তুলতে পেরে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন কৃষক।সোমবার (২৬শে অক্টোবর) বেলা ১১টায় উপজেলার বোচারপুকুর এলাকায় তিন বিঘা জমিতে উৎপাদিত ব্রি-১০৩ জাতের রোপা আমন ধান কর্তনের উদ্বোধন করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সোহরাব হোসেন।

এ সময় কৃষি বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, স্থানীয় কৃষক ও সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।উপজেলা কৃষি অফিস জানায়,রোপা আমনের উৎপাদন বৃদ্ধি এবং কৃষকদের উন্নত জাতের ধান চাষে উৎসাহিত করতে সরকারি সহায়তায় বীজ, সারসহ বিভিন্ন কৃষি উপকরণ বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়েছে। পাশাপাশি ধান রোপণ থেকে শুরু করে পরিচর্যা পর্যন্ত কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহযোগিতা দেওয়া হয়েছে।ধান কর্তন অনুষ্ঠানে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সোহরাব হোসেন বলেন, ব্রি-১০৩ একটি আগাম ও উন্নত জাতের আমন ধান। এ জাতের চাল খেতে বেশ সুস্বাদু। উপযুক্ত পরিচর্যা ও অনুকূল পরিবেশ পেলে প্রতি বিঘায় প্রায় ২৫ থেকে ২৬ মণ ধান উৎপাদন সম্ভব। আগাম ধান ঘরে তুলতে পারলে কৃষকেরা বাজারে ভালো দাম পাওয়ার পাশাপাশি পরবর্তী ফসল হিসেবে সরিষা চাষের জন্য জমি প্রস্তুত করতে পারবেন।

এতে উৎপাদন ব্যয় কমানোর পাশাপাশি কৃষকের লাভের সম্ভাবনাও বাড়বে।ধানচাষি মোঃ সোহরাব হোসেন বলেন, ধান রোপণ থেকে শুরু করে পরিচর্যা পর্যন্ত উপজেলা কৃষি অফিসের কর্মকর্তারা সার্বক্ষণিক সহযোগিতা করেছেন। তাঁরা নিয়মিত জমিতে এসে ধানের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেছেন এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়েছেন। আগাম ধান কাটতে পেরে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে ধানের দাম তুলনা মূলক ভালো। পাশাপাশি গোখাদ্য হিসেবে ধানের খড়েরও চাহিদা রয়েছে। প্রতি আঁটি খড় পাঁচ টাকা দরে বিক্রি করতে পারলে তা থেকেও ভালো আয় হবে। ধান ও খড় বিক্রি করে সব মিলিয়ে এবার অধিক লাভের আশা করছেন তিনি।ধান কর্তন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি বিভাগের অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা আল মামুন অর রশিদ,কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মোছাঃ সাবিহা আক্তার সুরভী, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা নয়ন চন্দ্র শীল ও মোমিনুল ইসলাম,সাবেক কাউন্সিলর জাফর ইকবাল চপল,পরিসংখ্যান সহকারী রায়হান বিন আব্দুল কাফি,চেইনম্যান এবং সাংবাদিক মোশাররফ হোসেন ও বিকাশ স্বর্ণকার প্রমুখ ছি

Please Share This Post in Your Social Media

আপডেট: ০৫:২৭:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
০

পরীক্ষামূলক ব্রি-১০৩ রোপা আমন ধান চাষে লাভের হিসাবে খুশি কৃষক

আপডেট: ০৫:২৭:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

রেজাউল করিম মানিক, সোনাতলা প্রতিনিধি:- বগুড়ার সোনাতলায় ব্রি-১০৩ জাতের রোপা আমন ধান কর্তন করা হয়েছে। আগাম ফলন, উন্নত মানের ধান ও খড় বিক্রি করে অধিক লাভের আশায় কৃষকের মুখে ফুটেছে হাসি। কৃষি বিভাগের সহযোগিতায় পরীক্ষামূলক ভাবে চাষ করা এ জাতের ধান আগাম ঘরে তুলতে পেরে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন কৃষক।সোমবার (২৬শে অক্টোবর) বেলা ১১টায় উপজেলার বোচারপুকুর এলাকায় তিন বিঘা জমিতে উৎপাদিত ব্রি-১০৩ জাতের রোপা আমন ধান কর্তনের উদ্বোধন করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সোহরাব হোসেন।

এ সময় কৃষি বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, স্থানীয় কৃষক ও সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।উপজেলা কৃষি অফিস জানায়,রোপা আমনের উৎপাদন বৃদ্ধি এবং কৃষকদের উন্নত জাতের ধান চাষে উৎসাহিত করতে সরকারি সহায়তায় বীজ, সারসহ বিভিন্ন কৃষি উপকরণ বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়েছে। পাশাপাশি ধান রোপণ থেকে শুরু করে পরিচর্যা পর্যন্ত কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহযোগিতা দেওয়া হয়েছে।ধান কর্তন অনুষ্ঠানে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সোহরাব হোসেন বলেন, ব্রি-১০৩ একটি আগাম ও উন্নত জাতের আমন ধান। এ জাতের চাল খেতে বেশ সুস্বাদু। উপযুক্ত পরিচর্যা ও অনুকূল পরিবেশ পেলে প্রতি বিঘায় প্রায় ২৫ থেকে ২৬ মণ ধান উৎপাদন সম্ভব। আগাম ধান ঘরে তুলতে পারলে কৃষকেরা বাজারে ভালো দাম পাওয়ার পাশাপাশি পরবর্তী ফসল হিসেবে সরিষা চাষের জন্য জমি প্রস্তুত করতে পারবেন।

এতে উৎপাদন ব্যয় কমানোর পাশাপাশি কৃষকের লাভের সম্ভাবনাও বাড়বে।ধানচাষি মোঃ সোহরাব হোসেন বলেন, ধান রোপণ থেকে শুরু করে পরিচর্যা পর্যন্ত উপজেলা কৃষি অফিসের কর্মকর্তারা সার্বক্ষণিক সহযোগিতা করেছেন। তাঁরা নিয়মিত জমিতে এসে ধানের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেছেন এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়েছেন। আগাম ধান কাটতে পেরে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে ধানের দাম তুলনা মূলক ভালো। পাশাপাশি গোখাদ্য হিসেবে ধানের খড়েরও চাহিদা রয়েছে। প্রতি আঁটি খড় পাঁচ টাকা দরে বিক্রি করতে পারলে তা থেকেও ভালো আয় হবে। ধান ও খড় বিক্রি করে সব মিলিয়ে এবার অধিক লাভের আশা করছেন তিনি।ধান কর্তন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি বিভাগের অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা আল মামুন অর রশিদ,কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মোছাঃ সাবিহা আক্তার সুরভী, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা নয়ন চন্দ্র শীল ও মোমিনুল ইসলাম,সাবেক কাউন্সিলর জাফর ইকবাল চপল,পরিসংখ্যান সহকারী রায়হান বিন আব্দুল কাফি,চেইনম্যান এবং সাংবাদিক মোশাররফ হোসেন ও বিকাশ স্বর্ণকার প্রমুখ ছি